এই ভয়টা মনের মাঝে বাঁচিয়ে রেখো।
প্রিয়.................!!!!!
অনেক মাস হলো তোমার সাথে আমার কোন যোগাযোগ নাই। আমি জানি তুমি গোপনে আমার খবর নেবার চেষ্টা করেছিলে। কি লাভ বলো এখন। কোন লাভ নেই। তাও তুমি আমার খবর নেবার জন্য একে ওকে ধরছো। কিন্তু যখন তোমাকে আমার সব থেকে বেশী দরকার ছিল তখন কেন তুমি নিরব দর্শক হয়ে ছিলে! কেন আমার পাশে ছিলে না, কেন এতটা অবহেলা করলে আমায়। কেন আর সবার মতন করে আমায় বিচার করলে। যদি সেটা তোমার আসল রূপ ছিল তাহলে এখন এটা কি? নাকি তুমি সবার মতন আমাকে পত্রিকার পাতায় দেখত বেশী পছন্দ করো। নাকি তুমিও আমার কষ্টময় অতীতকে অনুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে ছিন্ন ভিন্ন করে প্রমাণ করবে সব ঘটনার জন্যই আমি একমাত্র দায়ী। সত্যি কী আমি কোনো ভাবে দায়ী ছিলাম?
.
যেদিন প্রথম তোমার শহরে এলাম তখন মনে হয়েছিল অনেক শান্ত, কোলাহলশূন্য। মনের গভীরেই একটা ভাল লাগা জন্মেছিল তখন যদি জনতাম এই শান্ত শহরে মানুষরূপী পশু বসবসা করে। তাহলে কী আজ আমাকে এই কোলাহলশূন্য শহরের একটি কুটিরে সবার চক্ষুসুল হয়ে বাঁচতে হতো।
.
তোমার মনে পরে কলেজের নবীণ বরণ অনুষ্ঠানে প্রথম আমাদের পরিচয় হয়। সেদিনটা হয়ত তুমি ভুলে যাবে কিন্তু মৃত্যুর আগমুহূর্ত পযর্ন্ত মনে রাখব। সেই দিন যদি নবীন বরণ অনুষ্ঠানে না যেতাম তা হলে হয়ত আজ আর আমায়য় মিথ্যা করে হয়ত বলতে হতো না "আমি ভাল আছি।"
.
তোমার কবিতা আবৃত্তি আমার ভীষণ ভাল লাগে। তোমার প্রতিটা অনুষ্ঠানে আমি যেতাম। কখন যে তোমাকে মনে জায়গা দিলাম বুঝতে পারলাম না। এমনও হয়েছে তোমার অনুষ্ঠানের টিকিট কেনার জন্য মার থেকে টাকাও চুরি করেছি। আর বেশি দিন হলে আমি বড়সর চুন্নী হয়ে যেতাম। কিন্তু তার আগেই তুমি বুঝে গেলে আমি তোমাকে ভালবাসি। আর তুমি বিরক্ত হয়ে এসিড ছুড়ে মারলে। আচ্ছা আমি না হলে একটু অগোছালো, খুবই বিরক্ত করতাম তোমাকে তাই বলে এতটা রেগে যেতে হবে। আমি না হলে তোমার কবিতা শুনতে চেয়েছি তাই বলে এমন করতে হবে? কবিরা এত নিষ্ঠুর তো না। তুমি এসিড দিলা আর প্রতিবেশীরা আমায় নিয়ে উপন্যাস বানিয়ে পত্রিকায় ছাপিয়ে দিল। আর এখন তুমি আবার সিরিয়াল করার জন্য খবর নিচ্ছ। দেখ এমন চিন্তাও যদি মনে আনো তবে মরে গিয়ে পেন্তী হয়ে কাঁচা চিবিয়ে খাব। কি ভয় পেলে। এই ভয়টা মনের মাঝে বাঁচিয়ে রেখো।
অনি

.
যেদিন প্রথম তোমার শহরে এলাম তখন মনে হয়েছিল অনেক শান্ত, কোলাহলশূন্য। মনের গভীরেই একটা ভাল লাগা জন্মেছিল তখন যদি জনতাম এই শান্ত শহরে মানুষরূপী পশু বসবসা করে। তাহলে কী আজ আমাকে এই কোলাহলশূন্য শহরের একটি কুটিরে সবার চক্ষুসুল হয়ে বাঁচতে হতো।
.
তোমার মনে পরে কলেজের নবীণ বরণ অনুষ্ঠানে প্রথম আমাদের পরিচয় হয়। সেদিনটা হয়ত তুমি ভুলে যাবে কিন্তু মৃত্যুর আগমুহূর্ত পযর্ন্ত মনে রাখব। সেই দিন যদি নবীন বরণ অনুষ্ঠানে না যেতাম তা হলে হয়ত আজ আর আমায়য় মিথ্যা করে হয়ত বলতে হতো না "আমি ভাল আছি।"
.
তোমার কবিতা আবৃত্তি আমার ভীষণ ভাল লাগে। তোমার প্রতিটা অনুষ্ঠানে আমি যেতাম। কখন যে তোমাকে মনে জায়গা দিলাম বুঝতে পারলাম না। এমনও হয়েছে তোমার অনুষ্ঠানের টিকিট কেনার জন্য মার থেকে টাকাও চুরি করেছি। আর বেশি দিন হলে আমি বড়সর চুন্নী হয়ে যেতাম। কিন্তু তার আগেই তুমি বুঝে গেলে আমি তোমাকে ভালবাসি। আর তুমি বিরক্ত হয়ে এসিড ছুড়ে মারলে। আচ্ছা আমি না হলে একটু অগোছালো, খুবই বিরক্ত করতাম তোমাকে তাই বলে এতটা রেগে যেতে হবে। আমি না হলে তোমার কবিতা শুনতে চেয়েছি তাই বলে এমন করতে হবে? কবিরা এত নিষ্ঠুর তো না। তুমি এসিড দিলা আর প্রতিবেশীরা আমায় নিয়ে উপন্যাস বানিয়ে পত্রিকায় ছাপিয়ে দিল। আর এখন তুমি আবার সিরিয়াল করার জন্য খবর নিচ্ছ। দেখ এমন চিন্তাও যদি মনে আনো তবে মরে গিয়ে পেন্তী হয়ে কাঁচা চিবিয়ে খাব। কি ভয় পেলে। এই ভয়টা মনের মাঝে বাঁচিয়ে রেখো।
অনি
Post a Comment